"এই সংসদ (নোমান হিসেবে), 'ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি' আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করবে।"
ইনফো-স্লাইড:
সময়: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬ সাল। ৭ কলেজ এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। সেশন জটের কারণে যথাসময়ে পরীক্ষা বা ফলাফল কিছুই প্রকাশিত হচ্ছে না এবং শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন বিলম্বিত হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে এবং একটি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত “ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি” প্রতিষ্ঠার দাবিতে ৭ কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা মিলে রাজপথে একটি বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তুলেছে।
নোমান সরকারি তিতুমীর কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের একজন ছাত্র। তাকে ঢাকায় রেখে পড়াশোনার খরচ চালাতে গিয়ে তার মধ্যবিত্ত পরিবার ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। পরিবারের সবার স্বপ্ন ও তীব্র প্রত্যাশা একটাই—নোমান যেন যত দ্রুত সম্ভব স্নাতক সম্পন্ন করে বিসিএস (BCS) অথবা কোনো ভালো ব্যাংকের চাকরি পায় এবং পুরো পরিবারকে এই ঋণের বোঝা ও অভাব থেকে মুক্ত করে। অর্থাৎ, তার পরিবারের কাছে এই পড়াশোনা শুধু একটি ডিগ্রি নয়; বরং তাদের পুরো সংসারের টিকে থাকার শেষ ভরসা।
এই পরিস্থিতিতে নোমানের সামনে একটি বড় সুযোগ এসেছে। তাকে এই ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির মূল নেতৃত্ব গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। নেতৃত্ব দিলে সে হয়তো এই ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে পারবে। তবে তার মনে এই আশঙ্কাও কাজ করছে যে, যদি সে সাময়িক বরখাস্ত (suspend) হয়, গ্রেপ্তার হয়, অথবা তার ক্যারিয়ার এখানেই থেমে যায়, তাহলে তার পরিবারের সব ত্যাগ, সংগ্রাম ও স্বপ্ন এক মুহূর্তে চিরতরে শেষ হয়ে যেতে পারে।
নোমান তার ক্যাম্পাসের একটি সামাজিক সংগঠনের পদধারী সদস্য। তার জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সমর্থনও আছে। এছাড়া, এর আগে তিনি জুলাই আন্দোলন ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করেছেন এবং সেখানেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
Round: Round 1